নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা ও সব সংস্থার সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প নয়, নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণ ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
নগরীতে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৫ মে) পরিচালিত ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেয়র ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ডের কাজির হাট বাজার থেকে চর রাঙ্গামাটিয়া স্কুল পর্যন্ত, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খাজা রোড, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী থেকে কদমতলী এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের পাঠানটুলী এলাকার বিভিন্ন স্থানে চলমান পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
তিনি বলেন, যত্রতত্র ময়লা ফেলা যাবে না। নালা ও ড্রেনে বর্জ্য ফেললে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয় এবং সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
চসিক সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নগরীর জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকাগুলোতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলছে। খাল, ড্রেন, কালভার্ট ও সংযোগ নালা থেকে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে চসিকের বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয়ে ৬টি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি বিভিন্ন এলাকায় সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানে কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ বলেন, চলতি বছরে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ সমস্যা কমে এসেছে। তিনি এ অগ্রগতির জন্য সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ ও তদারকিকে কৃতিত্ব দেন।
পরিদর্শনকালে চসিকের কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এমআরএএইচ/এমএমকে







