সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ | সময়: ভোর ২:৫৪
Category: কলাম

স্বাধীনতার বয়ান পুনর্লিখন এবং রিসেটের রাজনীতি

বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। এবারের নির্বাচনে এনসিপি-জামায়াত জোটের পরাজয়কে কেবল ভোটের অঙ্ক দিয়ে ব্যাখ্যা করলে ভুল হবে। এটি ছিল স্মৃতি, নৈতিকতা, নিরাপত্তা এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে এক সমষ্টিগত প্রতিক্রিয়া। ভোটাররা কেবল সরকার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেননি; তারা একটি আদর্শিক

ক্ষমতার বদল নয়, রাজনীতির পরীক্ষা শুরু

শপথের মঞ্চে আজ নতুন সরকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বের সরকার। গণ-আন্দোলনের পর অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সরকার আজ দায়িত্ব গ্রহণ করছে। সারা দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে নতুন সরকারের দিকে। তবে তাদের দৃষ্টি কেবল

ফেব্রুয়ারির বইমেলা: ঐতিহ্য নাকি ‘অর্থনৈতিক আত্মহত্যা’?

পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের এক ছোট্ট প্রেসে কাজ করেন মামুন মিয়া। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি এলে তার চোখে জ্বলে ওঠে নতুন স্বপ্ন। এবারও তা-ই হলো। ছোট্ট প্রকাশনী থেকে কয়েকটা বই ছাপলেন। নতুন লেখকদের গল্প, কবিতা। কিন্তু মেলা শুরুর আগেই সব গোলমেলে গেলো।

কতটা মসৃণ হবে নতুন সরকারের পথচলা

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে। অসাধারণ সাফল্যের কারণে বিএনপির নেতাকর্মীরা উল্লসিত স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু নতুন সরকারের পথচলা কতটা মসৃণ হবে এটা প্রশ্নাতীত নয়। বেসরকারিভাবে ভোটের ফল প্রকাশের শুরুর দিকে ১২ তারিখ রাতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ইতিবাচক রাজনীতির

নতুন সরকারের কাছে যা চাই, যা চাই না

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দেশের রাজনৈতিক আকাশে যে পরিবর্তনের রেখা আঁকা হয়েছে, সেটি নিছক ক্ষমতারেখা নয়; এটি এক দীর্ঘ সঞ্চিত প্রত্যাশা, হতাশা, রাগ, আকাঙ্ক্ষা ও সংশয়ের সম্মিলিত রূপরেখা। বিএনপির এই বিজয়কে যদি কেবল ক্ষমতার রদবদল হিসেবে দেখা

ইতিহাসের সেরা না হোক, অন্তত ‘ভালো’ নির্বাচন হোক

জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে প্রথম এবং দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ দুই নেত্রীকে (খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা) ছাড়া প্রথম নির্বাচন—যেটি ইতিহাসের সেরা নির্বাচন হবে বলে একাধিকবার আশ্বাস দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস—সেই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। আপনি

উৎসব মুখর নির্বাচনে জনতার জয়

অভিনন্দন, অভিনন্দন, অভিনন্দন… বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও তার নির্বাচনি জোটকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েছে তারা। এখন ধরেই নেওয়া যায় বিএনপিই সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে স্বস্তির বিষয় হলো, ’৭১ অর্থাৎ মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ এবং নারীর

‘ডিফিকাল্ট’ ঘুন পোকা!

আওয়ামী আমলের তিন নির্বাচনের পর (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) আওয়ামী লীগ কল্পনাও করতে পারেনি যে তাদের একদিন পতন হবে। নিয়তি এই যে ২০২৬ এ যারা নির্বাচিত হবে তারা ভাববে এর চেয়ে হেরে যাওয়া ঢের ভালো ছিল! –– ভবিষ্যৎ বানী ভবিষ্যৎ

১২ ফেব্রুয়ারি: গণতন্ত্রের মোড় ঘোরানোর মুহূর্ত নাকি নতুন বাস্তবতার সুচনা

বাংলাদেশ আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুহূর্তের সামনে দাঁড়িয়ে। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই দিনে একটি জাতীয় গণভোট। দীর্ঘ প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালন শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে এই নির্বাচন শুধু একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া

নির্বাচন ২০২৬: ‘নতুন বাংলাদেশ’ কত দূরে?

আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একটি নির্বাচনের আগে যেমন উত্তেজনা থাকে, তেমনি থাকে আশঙ্কা, প্রত্যাশা এবং আত্মসমালোচনার প্রয়োজন। ভোটের ঠিক আগমুহূর্তে দাঁড়িয়ে যে বাস্তব প্রশ্নটি উঠে আসে তা হলো– আমরা কি সত্যিই ‘নতুন বাংলাদেশ’এর দিকে এগোচ্ছি, নাকি কেবল