শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | সময়: বিকেল ৪:০৭
Category: কলাম

রক্তের ভেতর লুকানো ইতিহাস

১৩ এপ্রিল ১৯৭১। পাকিস্তানি সেনারা গণহত্যা চালায় রাজশাহীর চারঘাট থানাপাড়ায়, সারদা পুলিশ একাডেমির ভেতরে। সেইদিন মাত্র কয়েক ঘণ্টায় হাজারের ওপর নিরীহ-নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করেছিল তারা। এ গণহত্যার দিনে কী ঘটেছিল? তা প্রত্যক্ষদর্শীদের চোখে দেখার চেষ্টা করি। যা একাত্তরে পাকিস্তানি সেনা

ধর্মীয় অনুভূতি’র ‘মালিকানা’ কার?

‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ কিংবা ‘ধর্ম অবমাননা’র অভিযোগ বাংলাদেশে মোটেই নতুন নয় বরং বিভিন্ন ফোরাম থেকে চর্চিত বিষয়। এই অভিযোগে অতীতে বিভিন্ন সরকারের সময় যেমন অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে, আবার কারও কারও ক্ষেত্রে দেশ ত‍্যাগে বাধ‍্য করার

ইতিহাস কখনও চাপা দিয়ে রাখা যায় না

১০ ডিসেম্বর ১৯৭১। রাত তখন দেড়টা। বাইরের ঘরের অর্থাৎ বৈঠকখানার দরজায় মৃদু মৃদু কড়াঘাত হচ্ছে। সেই ঘরে শুয়ে আছি আমরা চারজন–মেজো ভাই শাহীন রেজা নূর, আমি, বাড়িওয়ালা ডা. হুদার ছোট শ্যালক আমাদের লুলু ভাই ও গ্রাম থেকে সদ্য আসা আমাদের

কারা হেফাজতে মৃত্যু: রাষ্ট্রের দায় ও করণীয়

দেশে কারাগারে হেফাজতে থাকা নাগরিকদের মৃত্যুর সংবাদ প্রায়ই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে  জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতে যুবদলের এক নেতার মৃত্যুর খবর এসেছে। এর ঠিক আগের সপ্তাহেই সংবাদমাধ্যমে আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগের একজন নারী কর্মী এবং একই সঙ্গে ঢাকার

মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাইয়ের চেতনায় সত্য, ন্যায় ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের প্রাসঙ্গিকতা

বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত দীর্ঘ সময়জুড়ে একটি অটল সত্য অম্লানভাবে প্রতিষ্ঠিত—মুক্তিযুদ্ধ, তার বীর সন্তানেরা এবং তাদের রক্তস্নাত আত্মত্যাগই আমাদের অস্তিত্বের মূলে, আমাদের স্বাধীনতার দলিল। যতই এই সত্যকে অস্বীকারের চেষ্টা করা হোক না কেন, ইতিহাস বহুবার দেখিয়েছে যে মুক্তিযুদ্ধ ও

রাজস্ব সংকটের গভীরে: কেন কমছে কর-জিডিপি অনুপাত

বাংলাদেশ অর্থনীতি আজ এক দ্বৈত বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে কিছু মেগা প্রকল্প দেশের উন্নয়নচিত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে রাজস্ব আহরণের সীমাবদ্ধতা সরকারের আর্থিক ভিত্তিকে নড়বড়ে করে তুলছে। উন্নয়ন ব্যয়, সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে প্রতিদিনই সরকারের প্রতিশ্রুতি বাড়ছে।

জেন জেডের রাজনীতি ও মগজের নতুন ‘ফ্রেম’

দিন কয়েক আগে আমার গবেষণা দলের সঙ্গে একটি মিটিং ছিল। উদ্দেশ্য ছিল চলমান কিছু কাজ নিয়ে আলোচনা করা। আর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করা। মিটিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানে গিয়ে দেখি মাত্র দুজন ছাড়া আর কেউ হাজির হননি। এর ফাঁকে বলে রাখি,

পাকিস্তানি বাহিনী কেন মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল?

একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষ যখন স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছে, তখন পৃথিবীর পরাশক্তিগুলো পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নেয়। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। অন্যদিকে বাংলাদেশের পক্ষে ছিল ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের নিকট-বন্ধু ও উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার মনে করা হয় চীনকে। অথচ

খালেদা জিয়া: বর্তমানের প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। দেশের রাষ্ট্রপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা প্রার্থনা করেছেন এবং দেশের সকল স্তরের মানুষকে প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন আপসহীন এই নেত্রীর সুস্থতার জন্য। এ এক বিরল

কর্মজীবী নারীর কর্মের অধিকারেই লাগাম?

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির বা সর্বোচ্চ নেতা শফিকুর রহমান সম্প্রতি এমন একটি বক্তব্য পেশ করেছেন, যার অভিঘাত টের পাওয়া যাচ্ছে বাংলাদেশের গণ্ডি ছাড়িয়েও। তিনি জানিয়েছেন, তাদের দল ক্ষমতায় গেলে কর্মজীবী নারীদের আর রোজ ৮ ঘণ্টা কাজ করতে হবে না– পাঁচ

Daraz square banner
technoviable
technoviable