শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | সময়: সকাল ৬:২৪
Category: কলাম

তারেক রহমানের সামনে কঠিন পরীক্ষা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ‘নতুন অধ্যায়’-এর ভাষা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু আবেগে ইতিহাসের অধ্যায় বা রাষ্ট্রের মান বদলায় না। রাষ্ট্রের মান বিচার হয় ফলাফলে—স্লোগানে নয়, শাসন-রেকর্ডে এবং ক্ষমতার বলয় নিয়ন্ত্রণ করা মানুষদের কর্মে। সেই মানদণ্ডে দাঁড়ালে ২০০১-২০০৬ সময়কালের অভিজ্ঞতাকে

হলফনামায় সুবিধা ভোটারের, অসুবিধা প্রার্থীর!

কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে সারা পৃথিবীতেই রাজনীতিবিদদের সম্পর্কে সাধারণ মানুষের গড়পড়তা ধারণা নেতিবাচক। মানুষ মনে করে, রাজনীতিবিদরা যা বলেন, তার বড় অংশই মিথ্যা, চাপাবাজি, কথার ফুলঝুরি, প্রতিশ্রুতির বেলুন। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় ভোট পাওয়ার জন্য তারা যা বলেন, যেসব প্রতিশ্রুতি

শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় ও খালেদা জিয়ার প্রয়াণের বছরকে বিদায়

প্রিয় তুনাবী, এই প্রথম জানতে চাইবো না কেমন আছো তুমি? আমি ভালো নেই তুনাবী। তুমি জানো যে বাংলাদেশের একান্ত স্বজন নিঃসঙ্গ শেরপা’র মতো এক নিঃসঙ্গ সারথি বিদায় নিয়েছেন ৩০ ডিসেম্বর। তিনি প্রথম নিঃসঙ্গ হন ১৯৭১ সালে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের

নাগরিক জীবনে আতংক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা

ইংরেজ দার্শনিক টমাস হবস তার লেভিয়াথান গ্রন্থে একটি ‘থট এক্সপেরিমেন্টে’র মাধ্যমে রাষ্ট্রের উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে সেই চিত্র বর্ণনা করেছেন। হবসের মতে রাষ্ট্র উৎপত্তির পূর্বে মানুষ প্রকৃতির রাজ্যে (state of nature) বসবাস করতো, যেখানে না ছিল কোনও সরকার, না ছিল কোনও

আবেগ, যুক্তি ও মন: কড়া জনগোষ্ঠীর জীবনদর্শন

মানুষের জীবন মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে- আবেগ, যুক্তি ও মন। এই তিনের ভারসাম্যেই ব্যক্তি ও সমাজের চরিত্র গড়ে ওঠে। কিন্তু আধুনিক সভ্যতার মানুষ এই ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে বলেই হয়তো আজ চারদিকে অস্থিরতা, প্রতিযোগিতা আর হিংস্রতার বিস্তার। আবেগ এখানে ভোগের

পূর্বাভাস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি

ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রশাসনের গত ১৭ মাসের শাসনামলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থায় যে গভীর ক্ষত ও অস্থিতিশীলতা পরিলক্ষিত হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম দুই মাসে তা এক চরম ও বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছানোর উচ্চঝুঁকি রয়েছে। মাঠপর্যায়ে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য, তথা

বেগম খালেদা জিয়ার বিদায় ও জাতীয় ঐক্যের অপরিহার্যতা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গভীর শূন্যতার তারিখ হয়ে থাকবে ৩০ ডিসেম্বর। দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে পথচলা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চিরবিদায় নিলেন। তাঁর মৃত্যু কেবল একটি রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি নয়; এটি বাংলাদেশের রাজনীতির

আপসহীন এক নিঃসঙ্গ সারথি

তিনি ছিলেন, তিনি আছেন, তিনি থাকবেন। ছিলেন অদ্ভুত সুন্দর একজন মানুষ, নাম ছিল ‘খালেদা খানম’। বাংলাদেশের রাজনীতি তাকে বেগম খালেদা জিয়াতে রূপান্তরিত করে। ভোটের রাজনীতিতে কখনও হারেননি তিনি। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পরাজিত হতো আসমান জমিন ব্যবধানে। শেষমেষ মৃত্যুর কাছে হারলেন

সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া

সম্প্রীতি এমনই এক সূক্ষ্ম অথচ অনিবার্য উপাদান, যা চোখে দেখা না গেলেও অন্তরাবলোকন দিয়ে গভীরভাবে অনুভব করা যায়। এটি কেবল শান্ত বা নীরব থাকার নাম নয়; এটি আসলে পরিচ্ছন্ন চিন্তাধারা, উভয়ের প্রতি নীতি ও আদর্শগত সাম্য এবং সর্বোপরি এক গভীর

যে ঘৃণার চাষবাস চলছেই

দীপু দাসের হত‍্যার হয়ে গেল এক সপ্তাহ’র বেশি। এর মাঝে হাদি হত‍্যা, কয়েকটি মিডিয়া হাউস, ছায়ানট, নালন্দা এবং উদীচীতে আগুন দেওয়া, তছনছ করাসহ অনেক কিছুই হয়েছে। বিশ্ববিদ‍্যালয়গুলো হয়ে ওঠছে আতঙ্কপুরী। বিশেষ করে নির্বাচিত ডাকসু, রাকসু সদস‍্যরা করছে একের পর এক

Daraz square banner
technoviable
technoviable