চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসর। নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতের মাটিতে খেলতে চায়নি বাংলাদেশ। নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের জন্য আইসিসিকে চিঠিও দিয়েছিল বিসিবি। তবে সেটি না মেনে ভারতের মাটিতে খেলতে না চাওয়ায় বাংলাদেশকেই বাদ দিয়ে দেয় আইসিসি।
এরপর জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেছিলেন, বিশ্বকাপ না খেলায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ক্রিকেটাররা। দুইজন নাকি কোমাতেও চলে গিয়েছিলেন! তবে সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছে টাইগাররা।
আগামীকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হচ্ছে। এর আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে লিটনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল আদৌ ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপে না খেলার ইস্যু থেকে বের হতে পেরেছে কিনা!
বিশ্বকাপের সময়ে দেশীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে অদম্য টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে বিসিবি। লিটনের মতে ওই সময়ে মাঠে খেলা থাকায় ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপ না খেলার দুঃখ ভুলতে পেরেছেন।
লিটন বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার মনে হয় ডেফিনেটলি মুভ অন করেছে (বিশ্বকাপ না খেলা অবস্থা থেকে)। কারণ বিশ্বকাপের ওই সময়ে আমরা একটা টুর্নামেন্টও খেলেছি যেখানে প্লেয়াররা চেষ্টা করেছে ভালো ক্রিকেট খেলার।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আগামীকালই প্রথম কোনো ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই অবস্থার প্রভাব পড়বে কিনা প্রশ্নে লিটনের উত্তর, ‘সবচেয়ে বড় জিনিস যেহেতু আন্তর্জাতিক ম্যাচ প্রত্যেকটা ম্যাচই প্রত্যেকটা প্লেয়ারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় তারা ওভাবেই চিন্তা করবে এবং বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য যা যা করণীয় দরকার, যে উইনিং মাইন্ডসেটটা দরকার, সেটা নিয়ে মাঠে নামবে।’
আগের দুই বছরের জন্য অধিনায়ক ছিলেন লিটন। এবারও দুই বছরের জন্য দায়িত্বটা এসেছে তার কাঁধেই। তার অধীনে গত ৭-৮ মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে টি-টোয়েন্টিতে ভালো ক্রিকেট খেলছে টাইগাররা। তাহলে কি এটাই ইতিহাসে বাংলাদেশের সেরা টি-টোয়েন্টি দল! এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য দিতে চাইলেন না লিটন, ‘এটা আপনার উত্তর হতে পারে, আমি জানি না। তবে আমি সবার সাথে কাজ করে উপভোগ করছি।’
এসকেডি/এমএমআর







