বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ | সময়: ভোর ১১:১৫
Day: মার্চ ১৮, ২০২৬

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের পার্শ্ববর্তী আল খারজে একটি ক্লিনিং মেইন্টেনেন্স কোম্পানির আবাসনে গত ৮ মার্চ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহতও আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা আবদুল্লাহ আল মামুন নামের ওই

ফসল বাঁচাতে ভাল্লুক সেজে মাঠে কৃষক!

ফসল রক্ষার জন্য অদ্ভুত কৌশলের আশ্রয় নেওয়া নতুন নয়। কোথাও ধানের ক্ষেতের পাখি তাড়ানোর জন্য কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করা হয়, আবার কেউ লাঠি বা বাঁশ দিয়ে শব্দ করে পাখি তাড়ান। তবে ভারতের উত্তরপ্রদেশের সামভাল জেলার ফিরোজপুর গ্রামে কৃষক ধরমবীর এমন অভিনব

হাসপাতালের কক্ষে আগুন, সরিয়ে নেওয়ার সময় দুই রোগীর মৃত্যু

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের পঞ্চম তলায় একটি কক্ষে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ সময় রোগী রোগীর স্বজন এবং দায়িত্বরত স্টাফদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন থেকে রক্ষা করতে আশঙ্কাজনক রোগীদের স্থানান্তরের সময় দুই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ)

ভং থেকেই স্বয়ং

তুমি আসলে কে? —নিউরনের সংকেত রক্ত-মাংস, শ্বাস-প্রশ্বাস…   এই যে প্রবহমানতা শেষ পর্যন্ত কোনো কিছুই তোমার নয়;   ডিম্বাণু আর শুক্রাণুর যুক্ততার পর জাগরূক এই অস্তিত্ব কত কত সহযোগিতায় এই পর্যন্ত এসেছে— আলো-বাতাস-আহার কোন জিনিসে তুমি স্বয়ং?   এইসব ভঙ্গুরতা

ইলিয়াসের ব্রাত্যজন

অনেক বেশি লেখেননি তিনি। মাত্র দু খান উপন্যাস, কয়েকটি গল্পগ্রন্থ আর হাতে গোনা কিছু প্রবন্ধ। কিন্তু এর মাঝেই অমরত্ব নিশ্চিত করে ফেলেছেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, যার সম্পর্কে মহাশ্বেতা দেবী লিখেছেন, “কী পশ্চিম-বাংলা, কী বাংলাদেশ, সবটা মেলালে তিনি (আখতারুজ্জামান ইলিয়াস) শ্রেষ্ঠ লেখক।

একা

অভিধান থেকে বিশ্বাস শব্দটি নিষিদ্ধ হবার পর পৃথিবীটা চাকুর মতো চকচকে করে উঠলো।   ছায়া অন্ধকারে কোথায় যায়, পা তা জানে না ডানহাতে কী কী লেখে, সই-স্বাক্ষর করে, বাঁহাত জানে না!   মন কী ভাবছে? ব্রেন কী করছে! তাদের সম্পর্ক

কেউ বিশ্বাস করুক বা না করুক

পলাশ ফুটেছে আবার তাই আমি লিখছি পঙ্‌ক্তি কতটা রঙ জমা হলে ইজেলে ছবি আঁকা যায় কতটা আলো মেখে নিলে চিল উড়তে পারে সমুদ্র অবধি কতটা অন্ধকার লুট করে বাদুড় চলে অন্য প্রদেশে জানা আছে কারো? একটা নদী শুকিয়ে যাবার আগে

মৃত্যুচুম্বনতীর্থে-১

মৃত্যু আমাকে নেবে, জীবনও নেয়— ভেতরে তার মায়াবী আগুনজল কুহক নৃত্য— এক অদ্ভুত ঘোড়দৌড়ের সঙ্গে আমরা চলেছি একসঙ্গে একাকী—দিক-দিশারি বুঝিবা নাই—   চলার কাছে ছন্দ অদ্ভুত—দ্বন্দ্ব জড়িমা— বিভোরতায় মাতাল শূন্যে ঝুলছে জীবনের পুরানো কথা— কথারা কাজে কাজগুলো কথায় নৃত্য মুদ্রায়—

প্রেম

প্রথম তাকানোর মুহূর্তে মনে হয়েছিল শরীরের ভেতরে কোনো অদৃশ্য কণা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নিউরনের অন্ধকারে হঠাৎ আলো জ্বলে ওঠে, রক্তের ভেতর রাসায়নিক সংকেত ছুটে যায়—যেন দুটি একাকী পরমাণু ধীরে-ধীরে একে অপরের কক্ষপথে ঢুকে পড়ছে। কাছে এলে শরীর আর শরীর থাকে

মিস্ট্রি কাপালিক

শহর থেকে অনেক দূর যাব বলে তোমাকে বুনে দিয়েছিলাম একটি গ্রামের মাটিতে। তুমি মাঠ হলে গাছ হলে বিস্তর ধানখেত হলে পুকুরপাড়ে লাগানো হাসনাহেনার মতন ছড়িয়ে গেলে মগজের সুগন্ধি দুপুর। বিকেলের বেলা কাটে না তোমার নদীতে পা দোলায় আলতা পরা উদ্ধত