রবিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | সময়: সকাল ৭:১৫

তীব্র শীতে কাজ পাচ্ছেন না শ্রমজীবী মানুষ, বিপর্যস্ত জনজীবন

Daraz horizontal banner

ঝিনাইদহে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। দেশের উত্তর-উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। গত এক সপ্তাহ যাবৎ জেলায় চলমান শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এতে কর্মজীবী ও শ্রমজীবী মানুষেরা পড়েছেন বিপাকে। কাজ না পেয়ে অনেকেই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। গ্রাম কিংবা শহর, সব এলাকাতেই কমেছে ভ্রাম্যমাণ শ্রমিকদের কাজের সুযোগ।
যশোর ও চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তারের মাঝামাঝি থেকে খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গা, যশোর, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও মাগুরা জেলার তাপমাত্রা কমেছে। এর মধ্যে যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
জেলার মহেশপুর, হরিণাকুন্ডু, কোটচাঁদপুর, শৈলকূপা, কালীগঞ্জ ও সদর উপজেলায় দিনের তাপমাত্রা কমেছে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় প্রতিদিনই ১৪ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামছে। জেলায় বাড়ছে তীব্র শীত। সেই সঙ্গে উত্তরের হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করেছে জেলাজুড়ে। ফলে শীতের তীব্র চরম আকার ধারণ করেছে।
গত এক সপ্তাহ যাবৎ জেলায় শীতের দাপট বৃদ্ধি পাওয়ায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। সেই সঙ্গে ভ্যান-রিকশাচালক, কৃষি শ্রমিক, ইটভাটা শ্রমিকরাও চরম কষ্টে দিনযাপন করছেন। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকেই কাজ করতে পারছেন না। একইভাবে, অস্থায়ী ও আগন্তুক শ্রমিকদের কাজের সুযোগ কমেছে আশঙ্কাজনক হারে। ফলে অনেকেই কাজ না পেয়ে বাড়িতে বেকার বসে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বৈডাঙ্গা, হলিধানী ও নগরবাথান বাজারে শ্রম বিক্রি করতে আসা শ্রমিকরা বলেন, ধান রোপণের কাজ এখনো গ্রামে শুরু হয়নি। যে কারণে গ্রামে এখন তেমন কাজ নেই। এজন্য বাজারে কাজের সন্ধানে আসছেন শ্রমিকরা। কিন্তু শীতের কারণে মিলছে না কাজের সন্ধান। ফলে, কাজ না পেয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ শ্রমিকরা।
মাটিকাটা ও বালু শ্রমিক নেকবার মণ্ডল বলেন, শীতের কারণে শহর, গ্রাম কিংবা বিভিন্ন ছোট বড় বাজার এলাকায় কাজ কমে গেছে। কাজ না পেয়ে ভ্রাম্যমাণ শ্রমিকরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। শীত এতটা বেড়েছে যে, কাজ করা তো দূরের কথা, দাঁড়িয়ে থাকাই কষ্ট।
ঝিনাইদহ পৌর শহরের আরাপপুর এলাকার বাসিন্দা মাহমুদুর রহমান বলেন, শহরের অনেক মানুষ ভ্রাম্যমাণ শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করায়। গত সপ্তাহ থেকে চরম শীত অনুভূত হচ্ছে। শীতের কারণে শহরে কাজ কমে গেছে। শ্রমিকরা কাজ কম পাচ্ছেন। শহরের বাসা-বাড়ির নির্মাণকাজ কমে গেছে। শীত কমলে কাজের সুযোগ বেড়ে যাবে।
এম শাহজাহান/এমএন/এএসএম

Daraz horizontal banner
technoviable
Daraz square banner
technoviable

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সম্পর্কিত পোস্ট