রবিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | সময়: সকাল ৭:১৫

ইরানে হস্তক্ষেপের জন্য ট্রাম্পকে আহ্বান জানালেন রেজা পাহলভি

Daraz horizontal banner

ইরানের প্রয়াত শাহের নির্বাসিত ছেলে রেজা পাহলভি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে তিনি এই আবেদন জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ওয়াশিংটন এলাকায় বসবাসকারী রেজা পাহলভি লিখেন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট, এটি আপনার দৃষ্টি, সমর্থন ও পদক্ষেপের জন্য একটি জরুরি ও তাৎক্ষণিক আহ্বান। অনুগ্রহ করে ইরানের জনগণকে সহায়তা করতে হস্তক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
তিনি কী ধরনের হস্তক্ষেপ চান, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি।
পাহলভি লিখেন, আমি জনগণকে তাদের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে এবং সংখ্যার জোরে নিরাপত্তা বাহিনীকে চাপে ফেলতে রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়েছি। গত রাতে তারা সেটাই করেছে।
তিনি আরও বলেন, এই অপরাধী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে আপনার হুমকি তাদের সন্ত্রাসীদেরও কিছুটা দমিয়ে রেখেছে। কিন্তু সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক ঘণ্টার মধ্যেই মানুষ আবার রাস্তায় নামবে। আমি আপনাকে সহায়তার জন্য অনুরোধ করছি।
গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি ইরানি কর্তৃপক্ষ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভে অংশ নেওয়া মানুষদের হত্যা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, চলমান বিক্ষোভের মুখে ইসলামি প্রজাতন্ত্র কোনোভাবেই পিছু হটবে না। তিনি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাত ‘রক্তে রাঙা’। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে এসব কথা বলেন খামেনি।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) থেকে বিক্ষোভ বাড়তে থাকলেও এ বিষয়ে এটাই খামেনির প্রথম প্রকাশ্য বক্তব্য। ভাষণে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। খামেনি বলেন, ট্রাম্পের ‘হাত এক হাজারেরও বেশি ইরানির রক্তে রঞ্জিত’। তিনি বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে জুনে সংঘটিত যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যে সমর্থন ও সরাসরি হামলা চালিয়েছে, তার দায়ও ওয়াশিংটনের ওপর বর্তায়।
খামেনি আরও দাবি করেন, ‘অহংকারী’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পরিণতিও ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের আগে ক্ষমতাচ্যুত ইরানি রাজতন্ত্রের মতোই হবে। তিনি বলেন, গত রাতে তেহরানে একদল ভাঙচুরকারী নিজেদেরই একটি ভবন ধ্বংস করেছে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে খুশি করার জন্য। এ সময় তার সমর্থকরা ‘যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেন।
খামেনি বলেন, সবাই জানে, শত শত হাজার ‘সম্মানিত’ মানুষের রক্তের বিনিময়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নাশকতাকারীদের সামনে আমরা কখনোই পিছু হটবো না।
সূত্র: গাল্ফ নিউজ
এমএসএম

Daraz horizontal banner
technoviable
Daraz square banner
technoviable

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সম্পর্কিত পোস্ট